You are currently viewing টেক্সট ইনপুট করা – এম এস ওয়ার্ড ২০১৯ | MS Word 2019 Bangla Tutorial

টেক্সট ইনপুট করা – এম এস ওয়ার্ড ২০১৯ | MS Word 2019 Bangla Tutorial

টেক্সট ইনপুট করা – এম এস ওয়ার্ড ২০১৯ একটি ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার। এখানে অধিকাংশ সময়ই টেক্সট ইনপুট করার প্রয়োজন হয়ে থাকে।

আজকের টিউটোরিয়ালে আমরা দেখবো কিভাবে এম এস ওয়ার্ড ডকুমেন্টে বাংলা ও ইংরেজি টেক্সট ইনপুট করা যায়।

পূর্বের টিউটোরিয়ালে কিভাবে এম এস ওয়ার্ড ২০১৯ চালু করবেন তার বিভিন্ন পদ্ধতি আলোচনা করা হয়েছে। আপনি যদি টিউনটি না দেখে থাকেন তবে দেখে নিতে পারেন। কিভাবে এম এস ওয়ার্ড ২০১৯ চালু করবেন?

ডকুমেন্টে ইংরেজি টেক্সট ইনপুট করা

ওয়ার্ড ২০১৯ চালু করলে একটি নতুন ডকুমেন্টে প্রদর্শিত হয়। এবং সেখানে সবার ওপরে বায়ে একটি কার্সর পরিলক্ষিত হয়। এই কার্সর যেখানে থাকবে আপনি কিবোর্ড থেকে কোন টেক্সট টাইপ করলে লেখাটি কার্সর অবস্থিত স্থানে দেখাবে।

কোন লাইন লেখার পর পরবর্তী লাইনে যেতে কিবোর্ডের Enter কী চাপুন। আর যদি কোন প্যারাগ্রাফ লিখতে চান তবে প্যারাগ্রাফ লেখা শেষ হলে Enter চাপুন। অর্থাৎ কিবোর্ডের Enter কী দ্বারা আপনি নতুন লাইন কিংবা প্যারাগ্রাফ তৈরি করতে পারবেন।

ডকুমেন্টে বাংলা টেক্সট ইনপুট করা

যেহেতু ডিফল্ট অবস্থায় কম্পিউটারে ইংরেজি টেক্সট নির্ধারণ করা থাকে। সেজন্য ইংরেজি টেক্সট ইনপুট করার জন্য কোন সফটওয়্যার এর প্রয়োজন হয় না। কিবোর্ড থেকে সহজেই ইংরেজি টেক্সট ইনপুট করা যায়।

কিন্তু বাংলা লেখার জন্য আপনার কম্পিউটারে বাংলা লেখার যে কোন একটি সফটওয়্যার ইন্সটল করা থাকতে হবে। এক্ষেত্রে আমরা বিজয় কিবোর্ড ব্যবহার করে বাংলা লেখার পদ্ধতি আলোচনা করেছি।

How to input text and number in MS Word 2019

ধরে নিচ্ছি আপনার কম্পিউটারে বাংলা লেখার সফটওয়্যারটি ইন্সটল করাই আছে। যদি না থেকে থাকে তবে লিংক থেকে বিজয় সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিতে পারেন।

ডকুমেন্টে বাংলা টেক্সট ইনপুট করার জন্য নিম্নের পদ্ধতি অনুসরণ করুন:

  • ডকুমেন্টের যেখানে বাংলা টেক্সট ইনপুট করতে চান, কার্সর সেখানে রাখুন।
  • Home ট্যাবের Font প্যানেল এর Font হতে যে কোন বাংলা ফন্ট নির্বাচন করুন।
  • বাংলা ফন্ট চেনার সহজ উপায় হলো ফন্টের নামের শেষে MJ থাকবে, যেমন- SutonnyMJ, SumeshwariMJ ইত্যাদি।
  • কিবোর্ডের Ctrl+Shift+B চাপুন। এক্ষেত্রে আপনার কিবোর্ডটি বাংলা টেক্সট ইনপুট করার জন্য তৈরি হবে। এবারে কিবোর্ডের j কী চাপলে যদি ‘ক’ আসে তবে বুঝতে হবে বাংলা লেখার লেআউট ঠিক হয়েছে। এবারে আপনি বাংলা লিখতে পারেন।

নোট: কিবোর্ডের প্রত্যেকটি কীতে বাংলা ২টি বর্ণ থাকে। যেমন- আপনি কিবোর্ডের j চাপেন তবে `ক’ প্রদর্শিত হবে এবং কিবোর্ডের Shift চেপে J চাপুন তবে ‘খ’ আসবে।

বাংলা লেখার জন্য যে বিষয়টি স্মরণ রাখতে হবে:

যেহেতু ইংরেজিতে কোন যুক্তবর্ণ নেই কিন্তু বাংলায় যুক্তবর্ণ রয়েছে। অবশ্য এতো ঘাবড়ানোর কোন কিছুই নেই।

যেমন ধরুন, আপনি ‘ক্ষ’ লিখতে চান। এবারে আপনাকে জানতে হবে কোন বর্ণগুলো দ্বারা ‘ক্ষ’ হয়। আমরা জানি যে, ‘ক’ এর সাথে ‘ষ’ যুক্ত করলে ‘ক্ষ’ হয়। এজন্য প্রথমে কিবোর্ডের j চাপুন, অতপর কিবোর্ডের g চাপুন, অতপর কিবোর্ডের Shift+N চাপুন। দেখুন ‘ক্ষ’ হয়ে গেছে।

অর্থাৎ প্রথমে আপনি প্রথম বর্ণ লিখবেন অতপর কিবোর্ডের g চাপবেন অতপর পরবর্তী বর্ণ লিখুন। এভাবে যে কোন যুক্তবর্ণ খুবই সহজে টাইপ করতে পারবেন।

সচরাচর ব্যবহৃত বাংলা যুক্তবর্ণসমূহের তালিকা:

ক্ক = ক + ক (আক্কেল, টেক্কা)ক্ট = ক + ট (ডক্টর, ফ্যাক্টরি)ক্ট্র = ক + ট + র (অক্ট্রয়)
ক্ত = ক + ত (রক্ত, ভক্ত, শক্ত)ক্ত্র = ক + ত + র (বক্ত্র)ক্ব = ক + ব (পক্ব, ক্বণ)
ক্ম = ক + ম (রুক্মিণী)ক্য = ক + য (বাক্য)ক্র = ক + র (চক্র)
ক্ল = ক + ল (ক্লান্তি)ক্ষ = ক + ষ; যেমন- পক্ষক্ষ্ণ = ক + ষ + ণ; যেমন- তীক্ষ্ণ
ক্ষ্ব = ক + ষ + ব; যেমন- ইক্ষ্বাকুক্ষ্ম = ক + ষ + ম; যেমন- লক্ষ্মীক্ষ্ম্য = ক + ষ + ম + য; যেমন- সৌক্ষ্ম্য
ক্ষ্য = ক + ষ + য; যেমন- লক্ষ্যক্স = ক + স; যেমন- বাক্সখ্য = খ + য; যেমন- সখ্য
খ্র = খ+ র যেমন; যেমন- খ্রিস্টানগ্‌ণ = গ + ণ; যেমন – রুগ্‌ণগ্ধ = গ + ধ; যেমন- মুগ্ধ
গ্ধ্য = গ + ধ + য; যেমন- বৈদগ্ধ্যগ্ধ্র = গ + ধ + র; যেমন- দোগ্ধ্রীগ্ন = গ + ন; যেমন- ভগ্ন
গ্ন্য = গ + ন + য (অগ্ন্যাস্ত্র, অগ্ন্যুৎপাত, অগ্ন্যাশয়)গ্ব = গ + ব; যেমন- দিগ্বিজয়ীগ্ম = গ + ম; যেমন- যুগ্ম
গ্য = গ + য; যেমন- ভাগ্যগ্র = গ + র; যেমন- গ্রামগ্র্য = গ + র + য (ঐকাগ্র্য, সামগ্র্য, গ্র্যাজুয়েট)
গ্ল = গ + ল; যেমন- গ্লানিঘ্ন = ঘ + ন; যেমন- কৃতঘ্নঘ্য = ঘ + য; যেমন- অশ্লাঘ্য
ঘ্র = ঘ + র; যেমন- ঘ্রাণঙ্ক = ঙ + ক; যেমন- অঙ্কঙ্‌ক্ত = ঙ + ক + ত; যেমন- পঙ্‌ক্তি
ঙ্ক্য = ঙ + ক + য; যেমন- অঙ্ক্যঙ্ক্ষ = ঙ + ক + ষ; যেমন- আকাঙ্ক্ষাঙ্খ = ঙ + খ; যেমন- শঙ্খ
ঙ্গ = ঙ + গ; যেমন- অঙ্গঙ্গ্য = ঙ + গ + য; যেমন- ব্যঙ্গ্যার্থ, ব্যঙ্গ্যোক্তিঙ্ঘ = ঙ + ঘ; যেমন- সঙ্ঘ
ঙ্ঘ্য = ঙ + ঘ + য; যেমন- দুর্লঙ্ঘ্যঙ্ঘ্র = ঙ + ঘ + র; যেমন- অঙ্ঘ্রিঙ্ম = ঙ + ম; যেমন- বাঙ্ময়
চ্চ = চ + চ; যেমন- বাচ্চাচ্ছ = চ + ছ; যেমন- ইচ্ছাচ্ছ্ব = চ + ছ + ব; যেমন- জলোচ্ছ্বাস
চ্ছ্র = চ + ছ + র; যেমন- উচ্ছ্রায়চ্ঞ = চ + ঞ; যেমন- যাচ্ঞাচ্ব = চ + ব; যেমন- চ্বী
চ্য = চ + য; যেমন- প্রাচ্যজ্জ = জ + জ; যেমন- বিপজ্জনকজ্জ্ব = জ + জ + ব; যেমন- উজ্জ্বল
জ্ঝ = জ + ঝ; যেমন- কুজ্ঝটিকাজ্ঞ = জ + ঞ; যেমন- জ্ঞানজ্ব = জ + ব; যেমন- জ্বর
জ্য = জ + য; যেমন- রাজ্যজ্র = জ + র; যেমন- বজ্রঞ্চ = ঞ + চ; যেমন- অঞ্চল
ঞ্ছ = ঞ + ছ; যেমন- লাঞ্ছনাঞ্জ = ঞ + জ; যেমন- কুঞ্জঞ্ঝ = ঞ + ঝ; যেমন- ঝঞ্ঝা
ট্ট = ট + ট; যেমন- চট্টগ্রামট্ব = ট + ব; যেমন- খট্বাট্ম = ট + ম; যেমন- কুট্মল
ট্য = ট + য; যেমন- নাট্যট্র = ট + র; যেমন- ট্রেনড্ড = ড + ড; যেমন- আড্ডা
ড্ব = ড + ব; যেমন- অন্ড্বানড্য = ড + য; যেমন- জাড্যড্র = ড + র; যেমন- ড্রাইভার, ড্রাম
ড়্গ = ড় + গ; যেমন- খড়্‌গঢ্য = ঢ + য; যেমন- ধনাঢ্যঢ্র = ঢ + র; যেমন- মেঢ্র (ত্বক)
ণ্ট = ণ + ট; যেমন- ঘণ্টাণ্ঠ = ণ + ঠ; যেমন- কণ্ঠণ্ঠ্য = ণ + ঠ + য; যেমন- কণ্ঠ্য
ণ্ড = ণ + ড; যেমন- গণ্ডগোলণ্ড্য = ণ + ড + য; যেমন- পাণ্ড্যণ্ড্র = ণ + ড + র; যেমন- পুণ্ড্র
ণ্ঢ = ণ + ঢ; যেমন- ষণ্ঢণ্ণ = ণ + ণ; যেমন- বিষণ্ণণ্ব = ণ + ব; যেমন- স্হাণ্বীশ্বর
ণ্ম = ণ + ম; যেমন- চিণ্ময়ণ্য = ণ + য; যেমন- পূণ্যৎক = ত + ক; যেমন- উৎকট
ত্ত = ত + ত; যেমন- উত্তরত্ত্ব = ত + ত + ব; যেমন- সত্ত্বত্ত্য = ত + ত + য; যেমন- উত্ত্যক্ত
ত্থ = ত + থ; যেমন- অশ্বত্থত্ন = ত + ন; যেমন- যত্নত্ব = ত + ব; যেমন- রাজত্ব
ত্ম = ত + ম; যেমন- আত্মাত্ম্য = ত + ম + য; যেমন- দৌরাত্ম্যত্য = ত + য; যেমন- সত্য
ত্র = ত + র যেমন- ত্রিশ, ত্রাণত্র্য = ত + র + য; যেমন- বৈচিত্র্যৎল = ত + ল; যেমন- কাৎলা
ৎস = ত + স; যেমন- বৎসর, উৎসবথ্ব = থ + ব; যেমন- পৃথ্বীথ্য = থ + য; যেমন- পথ্য
থ্র = থ + র; যেমন- থ্রি (three)দ্গ = দ + গ; যেমন- উদ্গমদ্ঘ = দ + ঘ; যেমন- উদ্ঘাটন
দ্দ = দ + দ; যেমন- উদ্দেশ্যদ্দ্ব = দ + দ + ব; যেমন- তদ্দ্বারাদ্ধ = দ + ধ; যেমন- রুদ্ধ
দ্ব = দ + ব; যেমন- বিদ্বানদ্ভ = দ + ভ; যেমন- অদ্ভুতদ্ভ্র = দ + ভ + র; যেমন- উদ্ভ্রান্ত
দ্ম = দ + ম; যেমন- ছদ্মদ্য = দ + য; যেমন- বাদ্যদ্র = দ + র; যেমন- রুদ্র
দ্র্য = দ + র + য; যেমন- দারিদ্র্যধ্ন = ধ + ন; যেমন- অর্থগৃধ্নুধ্ব = ধ + ব; যেমন- ধ্বনি
ধ্ম = ধ + ম; যেমন- উদরাধ্মানধ্য = ধ + য; যেমন- আরাধ্যধ্র = ধ + র; যেমন- ধ্রুব
ন্ট = ন + ট; যেমন- প্যান্টন্ট্র = ন + ট + র; যেমন- কন্ট্রোলন্ঠ = ন + ঠ; যেমন- লন্ঠন
ন্ড = ন + ড; যেমন- গন্ডার, পাউন্ডন্ড্র = ন + ড + র; যেমন- হান্ড্রেডন্ত = ন + ত; যেমন- জীবন্ত
ন্ত্ব = ন + ত + ব; যেমন- সান্ত্বনান্ত্য = ন + ত + য; যেমন- অন্ত্যন্ত্র = ন + ত + র; যেমন- মন্ত্র
ন্ত্র্য = ন + ত + র + য; যেমন- স্বাতন্ত্র্যন্থ = ন + থ; যেমন- গ্রন্থন্থ্র = ন + থ + র; যেমন- অ্যান্থ্রাক্স
ন্দ = ন + দ; যেমন- ছন্দন্দ্য = ন + দ + য; যেমন- অনিন্দ্যন্দ্ব = ন + দ + ব; যেমন- দ্বন্দ্ব
ন্দ্র = ন + দ + র; যেমন- কেন্দ্রন্ধ = ন + ধ; যেমন- অন্ধন্ধ্য = ন + ধ + য; যেমন- বিন্ধ্য
ন্ধ্র = ন + ধ + র; যেমন- রন্ধ্রন্ন = ন + ন; যেমন- নবান্নন্ব = ন + ব; যেমন- ধন্বন্তরি
ন্ম = ন + ম; যেমন- চিন্ময়ন্য = ন + য; যেমন- ধন্যপ্ট = প + ট; যেমন- পাটি-সাপ্টা, ক্যাপ্টেন
প্ত = প + ত; যেমন- সুপ্তপ্ন = প + ন; যেমন- স্বপ্নপ্প = প + প; যেমন- ধাপ্পা
প্য = প + য; যেমন- প্রাপ্যপ্র = প + র; যেমন- ক্ষিপ্রপ্র্য = প + র + য; যেমন- প্র্যাকটিস
প্ল = প + ল; যেমন-আপ্লুতপ্স = প + স; যেমন- লিপ্সাফ্র = ফ + র; যেমন- ফ্রক, ফ্রিজ, আফ্রিকা
ফ্ল = ফ + ল; যেমন- ফ্লেভারব্জ = ব + জ; যেমন- ন্যুব্জব্দ = ব + দ; যেমন- জব্দ
ব্ধ = ব + ধ; যেমন- লব্ধব্ব = ব + ব; যেমন- ডাব্বাব্য = ব + য; যেমন- দাতব্য
ব্র = ব + র; যেমন- ব্রাহ্মণব্ল = ব + ল; যেমন- ব্লাউজভ্ব =ভ + ব; যেমন- ভ্বা
ভ্য = ভ + য; যেমন- সভ্যভ্র = ভ + র; যেমন- শুভ্রম্ন = ম + ন; যেমন- নিম্ন
ম্প = ম + প; যেমন- কম্পম্প্র = ম + প + র; যেমন- সম্প্রতিম্ফ = ম + ফ; যেমন- লম্ফ
ম্ব = ম + ব; যেমন- প্রতিবিম্বম্ব্র = ম + ব + র; যেমন- মেম্ব্রেনম্ভ = ম + ভ; যেমন- দম্ভ
ম্ভ্র = ম + ভ + র; যেমন- সম্ভ্রমম্ম = ম + ম; যেমন- সম্মানম্য = ম + য; যেমন- গ্রাম্য
ম্র = ম + র; যেমন- নম্রম্ল = ম + ল; যেমন- অম্লয্য = য + য; যেমন- ন্যায্য
র্ক = র + ক; যেমন – তর্কর্ক্য = র + ক + য; যেমন- অতর্ক্যর্গ্য = র + গ + য; যেমন – বর্গ্য (বর্গসম্বন্ধীয়)
র্ঘ্য = র + ঘ + য; যেমন- দৈর্ঘ্যর্চ্য = র + চ + য; যেমন- অর্চ্য (পূজনীয়)র্জ্য = র + জ + য; যেমন- বর্জ্য
র্ণ্য = র + ণ + য; যেমন- বৈবর্ণ্য (বিবর্ণতা)র্ত্য = র + ত + য; যেমন- মর্ত্যর্থ্য = র + থ + য; যেমন- সামর্থ্য
র্ব্য = র + ব + য; যেমন- নৈর্ব্যক্তিকর্ম্য = র + ম + য; যেমন- নৈষ্কর্ম্যর্শ্য = র + শ + য; যেমন- অস্পর্শ্য
র্ষ্য = র + ষ + য; যেমন- ঔৎকর্ষ্যর্হ্য = র + হ + য; যেমন- গর্হ্যর্খ = র + খ; যেমন- মূর্খ
র্গ = র + গ; যেমন- দুর্গর্গ্র = র + গ + র; যেমন- দুর্গ্রহ, নির্গ্রন্হর্ঘ = র + ঘ; যেমন- দীর্ঘ
র্চ = র + চ; যেমন- অর্চনার্ছ = র + ছ; যেমন- মূর্ছনার্জ = র + জ; যেমন- অর্জন
র্ঝ = র + ঝ; যেমন- নির্ঝরর্ট = র + ট; যেমন- আর্ট, কোর্ট, শার্ট, কার্টিজর্ড = র + ড; যেমন- অর্ডার, লর্ড, বর্ডার, কার্ড
র্ণ = র + ণ; যেমন- বর্ণর্ত = র + ত; যেমন- ক্ষুধার্তর্ত্র = র + ত + র; যেমন- কর্ত্রী
র্থ = র + থ; যেমন- অর্থর্দ = র + দ; যেমন- নির্দয়র্দ্ব = র + দ + ব; যেমন- নির্দ্বিধা
র্দ্র = র + দ + র; যেমন- আর্দ্রর্ধ = র + ধ; যেমন- গোলার্ধর্ধ্ব = র + ধ + ব; যেমন- ঊর্ধ্ব
র্ন = র + ন; যেমন- দুর্নামর্প = র + প; যেমন- দর্পর্ফ = র + ফ; যেমন- স্কার্ফ
র্ভ = র + ভ; যেমন- গর্ভর্ম = র + ম; যেমন- ধর্মর্য = র + য; যেমন- আর্য
র্ল = র + ল; যেমন- দুর্লভর্শ = র + শ; যেমন- স্পর্শর্শ্ব = র+ শ + ব; যেমন- পার্শ্ব
র্ষ = র + ষ; যেমন- ঘর্ষণর্স = র + স; যেমন- জার্সি, নার্স, পার্সেল, কুর্সির্হ = র + হ; যেমন- গার্হস্থ্য
র্ঢ্য = র + ঢ + য; যেমন- দার্ঢ্য (অর্থাৎ দৃঢ়তা)ল্ক = ল + ক; যেমন- শুল্কল্ক্য = ল + ক + য; যেমন- যাজ্ঞবল্ক্য
ল্গ = ল + গ; যেমন- বল্গাল্ট = ল + ট; যেমন- উল্টোল্ড = ল + ড; যেমন- ফিল্ডিং
ল্প = ল + প; যেমন- বিকল্পল্‌ফ = ল + ফ; যেমন- গল্‌ফল্ব = ল + ব; যেমন- বিল্ব, বাল্ব
ল্‌ভ = ল + ভ; যেমন- প্রগল্‌ভল্ম = ল + ম; যেমন- গুল্মল্য = ল + য; যেমন- তারল্য
ল্ল = ল + ল; যেমন- উল্লাসশ্চ = শ + চ; যেমন- পুনশ্চশ্ছ = শ + ছ; যেমন- শিরশ্ছেদ
শ্ন = শ + ন; যেমন- প্রশ্নশ্ব = শ + ব; যেমন- বিশ্বশ্ম = শ + ম; যেমন- জীবাশ্ম
শ্য = শ + য; যেমন- অবশ্যশ্র = শ + র; যেমন- মিশ্রশ্ল = শ + ল; যেমন- অশ্লীল
ষ্ক = ষ + ক; যেমন- শুষ্কষ্ক্র = ষ + ক + র; যেমন- নিষ্ক্রিয়ষ্ট = ষ + ট; যেমন- কষ্ট
ষ্ট্য = ষ + ট + য; যেমন- বৈশিষ্ট্যষ্ট্র = ষ + ট + র; যেমন- রাষ্ট্রষ্ঠ = ষ + ঠ; যেমন- শ্রেষ্ঠ
ষ্ঠ্য = ষ + ঠ + য; যেমন- নিষ্ঠ্যূতষ্ণ = ষ + ণ; যেমন- কৃষ্ণষ্প = ষ + প; যেমন- নিষ্পাপ
ষ্প্র = ষ + প + র; যেমন- নিষ্প্রয়োজনষ্ফ = ষ + ফ; যেমন- নিষ্ফলষ্ব = ষ + ব; যেমন- মাতৃষ্বসা
 ষ্ম = ষ + ম; যেমন- উষ্মষ্য = ষ + য; যেমন- শিষ্যস্ক = স + ক; যেমন- মনোস্কামনা
স্ক্র = স + ক্র; যেমন- ইস্ক্রুস্খ = স + খ; যেমন- স্খলনস্ট = স + ট; যেমন- স্টেশন
স্ট্র = স + ট্র; যেমন- স্ট্রাইকস্ত = স + ত; যেমন- ব্যস্তস্ত্ব = স + ত + ব; যেমন- বহিস্ত্বক
স্ত্য = স + ত + য; যেমন-অস্ত্যর্থস্ত্র = স + ত + র; যেমন- স্ত্রীস্থ = স + থ; যেমন- দুঃস্থ
স্থ্য = স + থ + য; যেমন- স্বাস্থ্যস্ন = স + ন; যেমন- স্নানস্প = স + প; যেমন- আস্পর্ধা
স্প্র = স + প +র; যেমন- স্প্রিংস্প্‌ল = স + প + ল; যেমন- স্প্‌লিনস্ফ = স + ফ; যেমন- আস্ফালন
স্ব = স + ব; যেমন- স্বরস্ম = স + ম; যেমন- স্মরণস্য = স + য; যেমন- শস্য
স্র = স + র; যেমন- অজস্রস্ল = স + ল; যেমন- স্লোগানহ্ণ = হ + ণ; যেমন- অপরাহ্ণ
হ্ন = হ + ন; যেমন- চিহ্নহ্ব = হ + ব; যেমন- আহ্বানহ্ম = হ + ম; যেমন- ব্রাহ্মণ
হ্য = হ + য; যেমন- বাহ্যহ্র = হ + র; যেমন- হ্রদহ্ল = হ + ল; যেমন- আহ্লাদ

এম এস ওয়ার্ড ২০১৯ এ কিভাবে টেক্সট ইনপুট করা যায় তা ওপরে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। আজ এখানেই শেষ করছি। আগামীতে কার্সর মুভমেন্ট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো ইনশাআল্লাহ্।

টিউটোরিয়ালটি ইনফরমেটিক হলে বন্ধু ও পরিচিত মহলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

Leave a Reply